দুই স্ত্রীর তথ্য লুকিয়ে চিকিৎসককে বিয়ের অভিযোগ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩

দুই স্ত্রীর তথ্য লুকিয়ে এক চিকিৎসককে বিয়ের অভিযোগ উঠেছে মো. আহসান হাবীব নামে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এমনকি তৃতীয় স্ত্রী ও সন্তানকে স্বীকৃতি দেননি বলেও অভিযোগ করেন ওই চিকিৎসক। এর আগেও অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। বর্তমা‌নে তি‌নি নোয়াখা‌লি‌তে কর্মরত র‌য়ে‌ছেন।

এ ঘটনায় গত ১০ আগস্ট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই চিকিৎসক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ওই প্রকৌশলীর মা চিকিৎসার জন্য পাবনা মেডিকেলে ভর্তি হলে সেখানকার এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সেই পরিচয়ের সূত্রেই যোগাযোগ থেকে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই চিকিৎসককে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। এ সময় তিনি আগে একটি বিয়ে ও সেই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন জানিয়ে তালাকের দুটি নোটিশ দেখান। ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি কাজী অফিসে তাদের বিয়ে হয়। ২০২২ সালের ২৭ জুন তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়। তবে এরমধ্যেই ওই প্রকৌশলীর সন্দেহজনক আচরণ নজরে আসে ওই চিকিৎসকের। এরমধ্যেই তিনি মাঝেমধ্যেই বাসার বাইরে থাকতে শুরু করলে ওই চিকিৎসক জানতে পারেন আহসান হাবীব তার আরেক স্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন। তখনই তিনি জানতে পারেন তার আগেও দুই স্ত্রী রয়েছে। এরমধ্যে একজনের সঙ্গে তালাক হলেও আরেকজনের সঙ্গে তিনি নিয়মিত বসবাস করছেন।

বিষয়টি নিয়ে ২০২১ সালের ৭ জুলাই ওই প্রকৌশলীর বাড়ি গেলে তিনি নির্যাতনের শিকার হন। পরবর্তীতে তিনি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। সে সময় ওই নারী চিকিৎসক গর্ভধারণ করলে তাকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিতে থাকে। এমনকি বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতেও চাপ দেয়। এছাড়াও ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনি ৫০ লাখ টাকাও হাতিয়ে নেন। এরপর থেকেই তিনি তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতে মামলা করেন।

গত ২ আগস্ট অজ্ঞাত দুই সন্ত্রাসী ওই চিকিৎসকের বাড়ি গিয়ে তাকে উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এর জেরে ভুক্তভোগী চিকিৎসক প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী চিকিৎসক বলেন, ’আমি আমার ও আমার সন্তানের স্বীকৃতি চাই। তার প্রতারণার বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা মিথ্যা। সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে। সে আমার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী, আদালতে আমাদের একটা মামলা চলমান রয়েছে, আদালতের সিদ্ধান্তর জন্য অপেক্ষা করছি।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© All rights reserved © Weekly Manikganj
Developer Design Host BD